“মৃত্যু”-সন্দীপ চক্রবর্তী

“মৃত্যু”

            -সন্দীপ চক্রবর্তী

একটা মৃত্যু চাই ভয় থেকে বাঁচতে।

যেভাবে ” দুর্বার” বাসের ড্রাইভার সারাক্ষন কানে মোবাইল ধরে সাঁই সাঁই করে বাস ছোটায়
আর নির্বাক নিশ্চুপ মুখবন্ধ সারা বাসের মধ্যে বসে আমি একা “ও ড্রাইভারদা, ওরকম করবেন না, মারাত্মক অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে যাবে কিন্তু ” বলে চেঁচাতে চেঁচাতে শেষে প্যাসেঞ্জারদের আওয়াজ খেয়ে থম মেরে যাই, তাতে ঐ একটা কামনাই মনে জেগে ওঠে।

একই ঘটনা রোজ। আমি ডেলি পাষন্ড।
একটা অন্তত মৃত্যু চাই এই বাসের চাকায়। হৈ চৈ হবে। টিভি মিডিয়া হবে। অবশেষে আইন হবে।
তার আগে কিন্ত এই দেশে কিচ্ছু হবে না। তাই, অন্তর থেকে একটা মৃত্যু চাই।

একটা মৃত্যু চাই খোল নলচে বদলে ফেলতে।
অন্ধকারকে দু হাতে সরিয়ে দেখতে পাবো ট্যাক্সের পয়সায় কেনা গরীবের ওষুধ কী ভাবে চলে যাচ্ছে পাশের নার্সিংহোমে, কমিশনের লোভে অহেতুক কেনা হচ্ছে কোটি টাকার মেশিন, যেখানে ভাঙা ট্রলি থেকে যখন তখন পড়ে মরে যেতে পারে চুরি না করতে শেখা গরীব রোগীটা।

একটা তাগড়া মৃত্যু চাই চারপাশে ঘটে চলা হাড় হিম করা দুর্নীতিগুলো জানতে। রাস্তায় জন্মানো পুকুর এড়িয়ে চলতে চলতে জানতে পারবো শাসকের নাম যিনি জনগনকে এইডস অসুখ উপহার দিতে চেয়েছেন ব্যবহৃত সিরিঞ্জ আবার বারবার ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়ে।

ধন্য মাতৃভূমি। ধন্য আমার জন্ম।

তন্ত্র মন্ত্র উপবাস ধর্মীয় বানী খেলা মেলার আড়াল থেকে দগদগে ঘায়ের মতো নোংরা সত্যগুলোকে বের করে আনতে আর কাউকে চাই না। ব্যস, একটা অন্তত মৃত্যু চাই-ই চাই।

পুজোয় শাড়ি পরুন কনট্রাস্ট রঙের ব্লাউজের সাথে ,দারুন মানাবে আপনাকে

পুজোর আনন্দ

মালদার পুজো