৪৩ বর্ষে পা দিলো স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোর দুর্গা পুজোর,সেরা শারদ সুন্দরী প্রতিযেগিতাও থাকছে বিলেতে

news bazar24:   দেখতে দেখতে এবছর ৪৩ বর্ষে পা দিলো স্কটল্যান্ডের পুজো বঙ্গীয় সাংস্কৃতিক পরিষদ গ্লাসগো।এই পুজোই সব থেকে আদি পুজো বলে পরিচিত।

গ্লাসগোর পুরোহিত বাবুলায়েব মুখোপাধ্যায় জানান, ‘৮০ এর দশক থেকে মহালয়ার দিন আমরা গ্লাসগোতে লাইভ মহিষাসুরমর্দিনী পাঠ করে থাকি।

প্রতিবছরের মতো এবছর ও সাবেকি স্টাইলে পুজো হবে, থাকবে ভোগ বিতরণ, হোম, চণ্ডীপুজো এবং সন্ধিপুজো। পুজোর পাঁচদিন সদস্যরা অফিস ছুটি নিয়ে পুজোয় যোগ দেন, দু’জন পুরোহিত আমাদের। আমি ও অরুণাভ বন্দোপাধ্যায়। বাঙালিদের উৎসাহ তো বটেই স্থানীয় স্কটিশ লোকজনের এ পুজো নিয়ে যা উত্তেজনা কম থাকে না।

আবেগের উন্মাদনাও বলতে পারেন। স্কটল্যান্ডের বিভিন্ন পুজো প্যান্ডেলের সঙ্গে কথা বলে জানা যাচ্ছে সদস্যরা তো বটেই সাধারণ অনেক মানুষ এ বছর অফিস ছুটি নিয়েছেন সোমবার অষ্টমীর দিন। পঞ্চমুখী পুজা কমিটির সদস্য সৈকতবাবুর কথায়, ‘আমরা স্থানীয় তিথি মেনে সোমবার সকাল ১১টায় সন্ধিপুজো করব। আমাদের ৯০শতাংশ সদস্য সদস্যরা আমাদের সঙ্গে থাকবে সেদিন। অষ্টমীর অঞ্জলি সবাই একসঙ্গে দেব। তবে যারা সকালে পারবেন না তাদের জন্য বিকেলে নবমীর অঞ্জলির ব্যবস্থা থাকছে।’

উপাচার রীতি-নীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পুজোর ক’দিনের খাওয়া দাওয়া। তিনদিন অগণিত মানুষকে ভোগ খাওয়াচ্ছে হ্যারো অঞ্চলের আরেকটি পুজো বিলেতে বাঙালি। প্রতিদিন ৮০০/১০০০ লোকের ভোগের ব্যবস্থা করেছে তাঁরা।

সেই সঙ্গে নস্টালজিক বাঙালির পাতে নবমীতে তুলে দেওয়া হবে পাঁঠার মাংস। সেরা রাঁধুনি, ফ্যাশন শো ও শারদ সুন্দরী প্রতিযেগিতাও থাকছে বিলেতে বাঙালির পুজোতে।