নিজেকে সুন্দর দেখাতে শরীরের অবাঞ্ছিত রোমের হাত থেকে মুক্তি পাবেন কি ভাবে ?

news bazar24: ওয়্যাক্সিং, থ্রেডিং, শেভিং –এয় তিনটি উপায় এ  শরীরের অবাঞ্ছিত রোমের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায় আমরা অনেকেই এই নাম গুলর সাথে পরিচিত। নিয়মিত হাত-পা রোমমুক্ত রাখতে , এই প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে অনেকেয় মনে করেন সবচেয়ে সুবিধেজনক হল শেভিং। কারণ, শেভিং করতে সময়টা লাগে কম। ভালোভাবে শেভিং ফোম বা সাবান লাগিয়ে রেজার চালালেই হল! নিমেষে মাখনের মতো মসৃণ হাত-পা রেডি!

সময় কম লাগার কারণে আমরা শেভিং কে বেছে নিলেও, অনেক নিয়ম আমরা সঠিক  জানিনা ।যা ত্বকের ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ রোম তোলা যতটা জরুরি, ঠিক ততটাই জরুরি নিজের ত্বককে রক্ষা করা। শেভিং করার সময় অজান্তেই আমরা এমন কিছু ভুল করে ফেলি যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ত্বক।

আসুন দেখে নেওয়া যাক শেভিং করতে গিয়ে কী কী সাধারণ ভুল হয়ে থাকে  আসমাদের।

১. যথেষ্ট ফেনা না করা

তাড়াহুর করে কোনওরকমে একটু সাবান ঘষেই রেজার চালান? ভুল করছেন। সাবানের ফেনায় ভালোমতো ভেজা না থাকলে কেটে যেতে পারে, ত্বকে র্যােশ বেরোতে পারে,ইনফেকশন হতে পারে,সবচেয়ে বড়ো কথা ত্বকের মসৃণ ভাবটাই নষ্ট হয়ে যায়! তাই যত তাড়াই থাক, ভালো করে ফেনা করে তারপর শেভ করুন।

২. ডিসপোজেবল রেজার বেশিবার ব্যবহার করা

ডিসপোজেবল রেজার দিয়ে যাঁরা প্রতিদিন বা একদিন অন্তর শেভিং করেন, তাঁরা সাতদিন অন্তর রেজার পালটে ফেলুন।রেজার এর ব্লেড টি জঙ ধরে গেলে কখনোয় ব্যবহার করবেন না। নয়তো নানারকম সংক্রমণ দেখা দিতে পারে ত্বকে।

৩. রোমের বৃদ্ধির উলটো অভিমুখে শেভিং

রোমের বৃদ্ধির উলটোদিকে শেভ করলে সুবিধে হয় ভাবছেন একদম গোড়া থেকে রোম উঠে যায় কিন্তু এতে কেটে যাওয়ার আশঙ্কাও বেশি থাকে। তা ছাড়া ইনগ্রোন হেয়ারের মতো সমস্যা, খসখসেভাবও হতে পারে। তায় উপর থেকে নিচেই রেজার নামিয়ে রিমুভ করুন রম।

৪. শেভিংয়ের আগে এক্সফোলিয়েট না করা

ত্বকে রেজার চালানোর আগে একটু ঘষে এক্সফোলিয়েট করে ্নিন  দেখবেন  শেভিং ভালো হবে। এক্সফোলিয়েশনের ফলে হাত পায়ের মৃত কোষ উঠে যাবে, শেভিংও হবে ঝটপট।

৫. ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করা

শেভিং হয়ে যাওয়ার পরে ধুয়ে নিয়ে তৎক্ষণাৎ ভালো করে ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন। সাবানের ফেনা ধোয়ার সময় অবশ্যই ঠান্ডা জল ব্যবহার করবেন! মনে রাখবেন ময়েশ্চারাইজার না লাগালে ত্বক হয়ে উঠবে রুক্ষ।